প্রফেসর ডা. মো. রফিক চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি নতুন যুগের সূচনা
ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বাংলাদেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের একটি বিস্তীর্ণ হাওরবেষ্টিত এলাকা। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে রয়েছে।
চার দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসাসেবা প্রদানে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত।
দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন, যা তাঁকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করেছে।
মেডিটেক জেনারেল হাসপাতাল, নিকুঞ্জ–২, গুলশান, ঢাকায় নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন।
এমবিবিএস ডিগ্রি
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে স্নাতক
স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ
নিউইয়র্কের কিংসব্রুক জিউইশ মেডিকেল সেন্টারে রেসিডেন্সি সম্পন্ন
আমেরিকান বোর্ড সার্টিফিকেশন
NYC Health + Hospitals এবং NYU Langone Hospitals-এ কর্মরত
দেশ প্রত্যাবর্তন
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সেবায় সক্রিয় নিয়োজিত
হাওর এলাকায় এপ্রিল–মে মাসে পাহাড়ি ঢল নেমে আসার ফলে হঠাৎ অকাল বন্যা দেখা দেয়। এতে ফসল তোলার আগেই পানিতে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ৯০% এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার ফসলহানি ঘটে।
প্রায় দেড় লক্ষ মানুষের জন্য একজনও নিয়মিত এমবিবিএস চিকিৎসক নেই—এমন উপজেলা হাওর অঞ্চলে বিরল নয়। ফলে সাধারণ মানুষ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত থাকে।
ফসলহানির ফলে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়ে। অনেক পরিবার বেঁচে থাকার তাগিদে বসতভিটা বিক্রি করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়।
বর্ষাকালে পুরো এলাকা বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়। নৌকাই তখন একমাত্র ভরসা। স্কুল–কলেজে যাতায়াত ব্যাহত হয়, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ে।
হাওরের মাছ বাংলাদেশের আমিষের চাহিদার বড় অংশ পূরণ করে। কিন্তু আধুনিক অবতরণ কেন্দ্র না থাকায় জেলেরা ন্যায্য মূল্য পায় না।
একক বোরো ফসলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বহুমুখী চাষাবাদ:
বিশেষ নকশাকৃত 'ফ্লাড রেজিলিয়েন্ট' স্কুল ও কলেজ নির্মাণ যা বন্যার সময়ও চালু থাকবে।
প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
প্রতিটি স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন।
মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি প্রদান।
“একজন চিকিৎসক যখন রাজনীতিতে আসেন, তখন তার প্রধান লক্ষ্য হয় সমাজের ব্যাধি নিরাময় করা। আমি রাজনীতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন নয়, বরং আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে জনকল্যাণে কাজ করতে চাই।” — প্রফেসর ডা: মো: রফিক চৌধুরী
ঢাকার উচ্চবিত্ত এলাকায় কর্মরত হলেও তাঁর মন পড়ে থাকে হাওরের নীল জলে আর প্রান্তিক মানুষের কষ্টে। তিনি অনেক সময় দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে সেবা ও ওষুধ প্রদান করেন।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দলীয় আনুগত্য অনেক সময় সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায়। সুনামগঞ্জ-১ আসনের ভোটাররা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় প্রার্থীর দুর্নীতি ও অবহেলার সাক্ষী।
কোনো দলীয় 'ক্যাডার' বাহিনী থাকবে না। সরাসরি জনগণের কাছে জবাবদিহি করবেন।
চার দশকের চিকিৎসা পেশায় প্রমাণিত সততা ও সেবার মানসিকতা।
নিউইয়র্কে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা জ্ঞান।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সমস্যাগুলো সমাধানহীন নয়, প্রয়োজন কেবল সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাহসী নেতৃত্ব। প্রফেসর ডাঃ মোঃ রফিক চৌধুরী তার মেধা, মনন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে প্রস্তুত করেছেন, যা বাস্তবায়িত হলে এই অঞ্চলটি বাংলাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে।
দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করবেন।
হাওর অঞ্চলের মাটি ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের এই লড়াইয়ে তিনি একটি নতুন দিনের আশা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি হাওরের জলাশয় আজ পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছে।
“প্রফেসর ডাঃ মোঃ রফিক চৌধুরীর বিজয় মানেই হাওরবাসীর বিজয়”
আমরা কি আর কতকাল উন্নয়নহীন প্রতিশ্রুতি আর ডাক্তার ও অভাবে প্রিয়জনের বিদায়ের সাক্ষী হব? প্রতি বছর আমাদের কষ্টের সোনালী ফসল পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়।
এই পরিবর্তনের সময় এখন। আমি প্রফেসর ডাঃ মোঃ রফিক চৌধুরী, আপনাদেরই সন্তান। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা আপনাদের সেবায় উৎসর্গ করতে।
সুনামগঞ্জ–১ সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত প্রার্থী। জনগণের সেবায় নিবেদিত।
© ২০২৬ হাতপাখা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
প্রতীক: হাতপাখা