বিশেষ নকশাকৃত 'ফ্লাড রেজিলিয়েন্ট' স্কুল ও কলেজ নির্মাণ যা বন্যার সময়ও চালু থাকবে।
প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
প্রতিটি স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন।
মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি প্রদান।
বর্তমান বাঁধ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অস্থায়ী ও অপরিকল্পিত। ফলে প্রতি বছর হাওর অঞ্চলে ফসলহানি ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে। প্রফেসর ডা. মো. রফিক চৌধুরীর প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাওর ও নদী এলাকার নাব্যতা বজায় রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ, যাতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে এবং বন্যার ঝুঁকি কমে।
কেবল মাটির বাঁধ নয়, আন্তর্জাতিক মানের জিও-ব্যাগ ও কংক্রিট ব্লক ব্যবহার করে টেকসই বাঁধ নির্মাণ।
স্থানীয় কৃষক, মৎস্যজীবী ও বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, যাতে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয়।
২০২২ সালের বন্যায় কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ
সুনামগঞ্জ জেলার বন্যাগ্রস্ত অংশ
এলাকা যা বন্যার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে
মধ্যনগরে যারা নিয়মিত ডাক্তার পান না
আমরা কি আর কতকাল উন্নয়নহীন প্রতিশ্রুতি আর ডাক্তার ও অভাবে প্রিয়জনের বিদায়ের সাক্ষী হব? প্রতি বছর আমাদের কষ্টের সোনালী ফসল পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়।
এই পরিবর্তনের সময় এখন। আমি প্রফেসর ডাঃ মোঃ রফিক চৌধুরী, আপনাদেরই সন্তান। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা আপনাদের সেবায় উৎসর্গ করতে।
সুনামগঞ্জ–১ সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত প্রার্থী। জনগণের সেবায় নিবেদিত।
© ২০২৬ হাতপাখা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
প্রতীক: হাতপাখা